Posts

Showing posts from March, 2026

12>লাল গোলাপের পাপড়ি কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করতে।

    12>সকালে তিন কি চারটি রক্তগোলাপের পাপড়ি পাটায় বেটে এক কাপ জলের সাথে খেতে হবে। উপকার::-- কিছুদিন থেকে কোষ্ঠকাঠিন্য দুরহবে, শরীরে নার্ভের সমস্যা দূর হবে। এবং আরো বহু রোগের উপকার হয়। হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখে। =======================

21>পাইলস বা কষা পায়খানার সমস্যা দূর করতে

 21>পাইলস বা কষা পায়খানার সমস্যা দূর করতে  রাত্রে শোবার আগে একটি কলা ম্যাস করে তার সাথে 1/2আধা চামচ হলুদের গুঁড়ো এবং 1/2আধা চামচ মধু মিশিয়ে , (ভালোকরে মিশিয়ে) খেয়ে ঘুমাতে হবে।  সকালে ক্লিয়ার নরম পায়খানা হবে। যাদের পাইলসের সমস্যা তাদের জন্য বিশেষ উপকার।

20>নাক ডাকায় আরাম

 20>নাক ডাকায় আরাম ::-- রাত্রে ঘুমোনোর আগে একগ্লাস জলে 4-5টি এলাচ +একচিমটি জিরে+সামান্য হলুদ দিয়ে ফুটিয়ে ঠান্ডা কিরে ছেঁকে নিয়ে খেতে হবে, এতেই নাক ডাকা বন্ধ হবে।

19>ইমিউনিটি সিস্টেম ও ব্যাথায় আরামের জন্য

 19>ইমিউনিটি সিস্টেম ও ব্যাথায় আরামের জন্য ★1>শরীরের ব্যথা , জোরের ব্যাথা, ফোলার উপশমের জন্য সকালে খালিপেটে দুইগ্রাম (2)হলুদ+ একচুটকি গোলমরিচ গুঁড়ো খেতে হবে। ★2>শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখতে ::-- এলোবেড়ার পাল্প একটু + গোলমরিচ গুঁড়ো এক চুটকি সকালে খালিপেটে খেলে ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো হবে । স্পাম বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে, মেয়েদের মাসিকের ব্যাথায় আরাম হবে। জোরের ব্যাথা ফোলায় আরাম হবে।

18>পেটে গ্যাসের সমস্যা::---

 18>পেটে গ্যাসের সমস্যা::--- 4-5টি এলাচ +4-5 টি লবঙ্গ একসাথে তাওয়ায় একটু হালকা ভেজে নিয়ে গুঁড়ো করে কাচের শিশিতে রাখতে হবে। যখনই গ্যাস বা পেট ভারী ভারী বোধ হবে তখনই একছুটকি এলাচ, লবঙ্গ চূর্ণ ঠান্ডা জল সহ খেতে হবে। দুইচার দিন খেলেই সমস্যা দূর হবে চির তরে। ==============================

17>শরীরে চুলকানির রাম বান উপায়::--

 17>শরীরে চুলকানির রাম বান উপায়::-- কচি পেঁপেপাতা পাটায় মিহি করে বেটে নিয়ে + তারসাথে 1/2আধা চামচ হলুদের গুঁড়ো+ 1/2আধা চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে  স্নানের আগে চুলকানির স্থানে লাগিয়ে আধা ঘন্টা পরে পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে । চুলকানি /এলার্জি চিরতরে দূর হবে। ======================

16A>|| কমলালেবু খাওয়ার সঠিক সময়:

  16>|| কমলালেবু খাওয়ার সঠিক সময়::-- ★একটু  ভুলে পাকস্থলীর এসিডিটির মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। ★ভুল সময়ে মাত্র একটি কমলা খাওয়ই পেটের ভেতর আগুনের মতো এসিডিটি আর গ্যাসের তীব্র যন্ত্রণা সৃষ্টি করতে পারে। ★কমলা লেবু একটি অমৃতের মতো  ফল, কিন্তু সামান্য অসতর্কতার কারণে পাকস্থলীর দেয়াল পুড়িয়ে মারাত্মত আলসার তৈরি করতে পারে।  ★★পুষ্টিবিজ্ঞানীরা কমলা খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে বার বার সতর্ক করছেন। ★★ব্রাজিলের ইউনিভার্সিটি অফ সাও পাওলো ২০২৫ সালে প্রকাশিত তাদের এক গবেষণায় ভিটামিন সি যুক্ত ফলের প্রভাব নিয়ে নতুন তথ্য প্রদান করেছে। গবেষণার নাম ছিল গ্যাস্ট্রিক এসিড সিক্রেশন এন্ড সাইট্রাস ফ্রুটস যেখানে বলা হয়েছে যে খালি পেটে কমলা খেলে এর জৈব এসিড সরাসরি পাকস্থলীর লাইনিং ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে কমলার এসিডিক উপাদান পাকস্থলীর হজমকারী এসিডের সাথে মিশে গিয়ে তীব্র বুক জ্বালাপোড়া এবং বমির ভাব তৈরি করে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ উপকার পেতে সকালের নাস্তার অন্তত এক ঘণ্টা পর অথবা দুপুরে খাবার খাওয়ার পর কমলা বা এর রস খাওয়ার পূর্ণাঙ্গ নিয়মটি অনুসরণ করতে হবে। এই নিয়...

16>বেদনার চোকলার উপকাররিতা::--

 16>বেদনার চোকলার উপকাররিতা::-- ★■>বেদানার চোকলা রোদ্দুরে শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখতে হবে। ★1>IBS সমস্যা অর্থাৎ পেট ব্যাথা,পেট ফাঁপা, গ্যাস ইত্যাদি তে বেদার গুঁড়ো জলের সাথে মিশিয়ে বা জল দিয়ে দিনে দুইবার খেলে উপকার হবে ★2>দাঁতের যেকোন সমস্যাতে দাঁতের মাড়ি ফোলা, দাঁতে ব্যাথা, দাঁত দিয়ে রক্ত পড়া, বা মুখে দুর্গন্ধ দূর করতে বেদানার গুঁড়ো মধুর সাথে মিশিয়ে আঙ্গুল দিয়ে দাঁত মাজতে হবে ভালো করে । ★3>মুখে ব্রণ ( মুহাসা) 'ব্রণ' বা 'ফুসকুড়ি'  যা সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালে মুখের ত্বকে দেখা যায়।  সেই মুহাসা দূর করতে বেদানার গুঁড়ো গোলাপজলের সাথে মিশিয়ে লাগলে উপকার হবে। ,( IBS এর কিছু সাধারণ লক্ষণ:  পেটে ক্র্যাম্পিং বা ব্যথা পেট ফোলা বা পেট ফাঁপা গ্যাস ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য, বা উভয়ই IBS এর কারণ: অন্ত্রের মাধ্যমে খাদ্যের অস্বাভাবিক নড়াচড়া, পেশীর অস্বাভাবিক সংকুচিত হওয়া, স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবর্)

15>যেকোন প্রকারের শরীরে ব্যাথা

 15>যেকোন প্রকারের শরীরে ব্যাথা (Body Pain) ::-- আধা গ্লাস উষ্ণ দুধের সাথে +সামান্য হলুদের গুঁড়ো+সামান্য  হিং+সামান্য গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে যেকোন ব্যাথা দূর হবে। কোমর ব্যাথা, ঘাড় ব্যাথা, হাটু ব্যাথা, পিঠে ব্যাথা সকল ব্যাথা   আরাম হবে।

14>সর্দি কাশির জন্য লেবু আজোয়াইন গোলমরিচ হলুদ::----

  14>সর্দি কাশির জন্য লেবু আজোয়াইন গোলমরিচ হলুদ::---- ★★★★সর্দি, কাশি এবং গলা ব্যথার উপশমে লেবু, আজোয়াইন (জয়ন), গোলমরিচ এবং হলুদ অত্যন্ত কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকার। লেবুর ভিটামিন C রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, আজোয়াইন শ্বাসকষ্ট কমায়, গোলমরিচের পাইপেরিন কফ পরিষ্কার করে, এবং হলুদ প্রদাহ-বিরোধী হিসেবে কাজ করে। এই উপাদানগুলো মিশিয়ে চা বা গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।  ★1>কার্যকর ঘরোয়া উপায়সমূহ: লেবু-হলুদ চা: গরম পানিতে লেবুর রস, এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো এবং সামান্য মধু মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার পান করুন । ★2>আজোয়াইন ও গোলমরিচের জল: ১ চা চামচ আজোয়াইন এবং কয়েকটি গোলমরিচ পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন। হালকা গরম অবস্থায় তাতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। এটি কফ জমাট বাঁধা কমায়। ★3>পোড়া লেবুর টোটকা: একটি লেবু অর্ধেক করে কেটে কাটাচামচ দিয়ে ভালোকরে পাঞ্চ করে----- তার ওপর আজোয়াইন, কালো গোলমরিচ গুঁড়ো, বিট নুন এবং হলুদ একছুটকি চিনি  ছড়িয়ে  আবার কাটা চামচ দিয়ে ভালোকরে পাঞ্চ করতে হবে।  এবার লেবুর টুকরোগুলো হালকা আঁচে ২-৩ মিনিট গরম (Roast) করে । এই গরম লেবু চুষে...

13>কেটেগেলে তৎক্ষনাৎ রক্ত বন্ধ করতে। রামবান::---

  13>কেটেগেলে তৎক্ষনাৎ রক্ত বন্ধ করতে।   রামবান::--- সমপরিমাণ ফিটকারী চূর্ণ + সমপরিমাণ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে এক কাঁচের বোতলে রেখে দিতে হবে। যে কোন প্রকার কেটে যাবার ক্ষেত্রে সামান্য মিশ্রণ নিয়ে একটু জল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে কেটে যাওয়া স্থানে লাগলে তৎক্ষনাৎ রক্ত বন্দ হবে। ========================